আমাদের এই প্রিয় গোপালগঞ্জ সম্পর্কে আপনার চিন্তা ও একজন জনপ্রতিনিধির হিসেবে আপনি কি চান তা আমাকে জানাতে গুগল ফর্মটি পূরণ করুন। আপনার মূল্যবান চিন্তাগুলোই হবে আমার চিন্তা। আপনাদের একজন সেবক হয়ে এই মূল্যবান চিন্তাগুলোর বাস্তব রুপান্তরই হবে আমার আগামির ইসতেহার।
“মুক্তিযোদ্ধা পিতার রক্তে গড়া, মায়ের আঁচল ছায়া,
গোপালগঞ্জের মাটিতেই মোর, নাড়ির যত মায়া।
ব্যবসা নয়, সেবাই ব্রত—এটাই অঙ্গীকার,
হাতে হাত রেখে গড়ব দেশ, ঘুচিয়ে অন্ধকার।”
আমি কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল। ১৯৭৫ সালের ২রা এপ্রিল গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের পবিত্র মাটিতে আমার জন্ম । আমার ধমনীতে বইছে আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার উদ্দিন ভূঁইয়ার রক্ত, যার কাছ থেকে পেয়েছি দেশপ্রেম আর সততার শিক্ষা । আর আমার মা মনোয়ারা বেগমের আদর্শ আমাকে শিখিয়েছে—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জীবনের শ্রেষ্ঠ সার্থকতা ।
আমার বেড়ে ওঠা এই মাঠ আর মানুষের মাঝেই । ১৯৯৫ সালে সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সেই দিনগুলো আজও মনে পড়ে । ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলা আর সামাজিক কাজে যুক্ত থাকাই ছিল আমার নেতৃত্বের পাঠশালা ।
জীবনের তাগিদে ১৯৯৯ সালে ঢাকায় পা রেখেছিলাম শূন্য হাতে, কিন্তু বুকে ছিল বড় হওয়ার স্বপ্ন । নিজের চেষ্টায় গড়ে তুলি ‘সাউথ বাংলা কম্পিউটার’ । আজ গর্ব করে বলতে পারি, আমার প্রতিষ্ঠানে গোপালগঞ্জের ৩০০-এর বেশি ভাই-বোন কর্মরত আছেন । বেকারত্ব দূর করে আমরা এখন এক শক্তিশালী পরিবার ।
ব্যবসায়িক গণ্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও সেক্রেটারি হিসেবে আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি । এছাড়া ‘মোতাহার মনোয়ারা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিচ্ছি মানুষের ঘরে ঘরে ।
আপনাদের ভালোবাসায় ২০২৪ সালে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। এবার গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে 'টেলিফোন' মার্কা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।